সূর্য ডুবে যায় বলে আকাশ অভিমানে লাল হয়,
আমরা মন খারাপ করি,
আসলে সূর্য ডোবেনা,
আমরা নিজেরাই ডুবে যাই।
স্থির সুর্য আমাদের ভুল ধরিয়ে দিতে পারতো,
কিন্তু আদিম ভুলগুলো সে
শিশুর মতো লালন করতে দেয় আমাদের।
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের ভাবনায়
মানুষ ভুল ভাবতে ভালোবাসে,
মানুষ চায় দিনের শেষে আদিগন্ত জটিল অংকটা
যেভাবেই হোক মিলে যাক,
দীর্ঘ উপন্যাসের শেষ পৃষ্ঠায় আসুক মোহন মিলনের
শুভ সংবাদ ,
তাই দেবদাসের মৃত্যু মানুষ আকাঙ্ক্ষা করেনা কখনো ।
রাতের শেষে
পুবাকাশে আবার সূর্য উঠে আসে,
আচ্ছন্ন পাখিরা মসৃণ আলোর আভাসে
অসামাজিক চিৎকার জুড়ে দেয়,
পূত মন্ত্রপাঠে কৃতজ্ঞ মানুষ
নিমগ্ন বিস্ময়ে আবারো সূর্য ওঠা দেখে,
মানুষ বোঝে না,
আসলে সূর্য ওঠেনি
সে নিজেই উঠেছে।
সেই কবে থেকে মানুষ ও পাখিরা একত্রে ভুল করে চলেছে,
সূর্য তবু,
নিমগ্ন মানুষ ও উচ্ছল পাখিদের ভুল ভাঙিয়ে দেয়না কখনো,
স্থির সূর্য জানে,
কিছু কিছু ভুল না ভাঙিয়ে দেয়াই ভালো।
মাহফুজুল হক জগলুল
২০ এপ্রিল, ২০২১