কেউ কেউ এতো দূরে চলে যায়,
চাইলেও আর ফিরবেনা কোনদিন।
কেউ কেউ কাছে থেকে এত দূরে যে,
তার প্রতিটি কথা এন্টার্টিকার হিম শীতল
স্ফটিক হয়ে ঝুর ঝুর করে ভেঙ্গে পড়ে,
তখন তার শব্দ ও বাক্য আর কিছুই মেলে না।
অথচ যে চলে গেছে দূরে
তার বাক্যগুলো কি স্পষ্ট শ্রাব্য।
চন্দন জলের নম্র গান শুনতে শুনতে,
আঙুলের কড়া গুনতে গুনতে,
সময়ের শেষ প্রান্তে প্রান্তে এসে,বসে,
তালাবদ্ধ দেরাজ খুলে জমে থাকা
বিনীত ও বিবর্ণ চিঠি গুলো হাতে নিয়ে সে কি ভাবে?
ঝড় আসবে বলে কোন প্রস্তুতি ছিলো না যার,
নিটোল কর্ষিত ভূমি, ফসলের নবজাত নিস্পাপ বীজ,
সবকিছু ফেলে রেখে তীর্থের সন্ন্যাসীর মতো
কি করে সে নিরুদ্দেশ হয় ?
কপাট খেয়ে ফেলা নিরন্তর ঘুন পোকা আর
আসন্ন ঝড়ের প্রতি কেন আগ্রহ এতো ছিলো, তার?
তারপরও মনে হয়, যত দূরে চলে যাক,
একদিন নামহীন কোন ক্লান্ত নদীর ধারে,
শব্দহীন বিষন্ন কোন দীর্ঘ মোহন সন্ধ্যায়,
তার সাথে ঠিক দেখা হয়ে যাবে।
মাহফুজুল হক জগলুল
২ জুন, ২০২৬